অনুপস্থিত সৈন্যরা ইউক্রেনে যেতে পারেন: ব্রিটিশ আর্মি


meherin প্রকাশিত: ৮:৩৪ পূর্বাহ্ণ ১০ মার্চ , ২০২২
অনুপস্থিত সৈন্যরা ইউক্রেনে যেতে পারেন: ব্রিটিশ আর্মি

আন্তজাতিক ডেস্ক : ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীকে প্রতিরোধে ব্রিটিশ সেনা সদস্যদের পাঠানো হবে না বলে আগেই জানিয়েছিল যুক্তরাজ্য। একই ঘোষণা এসেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর পক্ষ থেকে। এরপরও যুক্তরাজ্যের কিছু সেনা সদস্য কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। চলমান লড়াইয়ে যোগ দিতে তাঁরা ইউক্রেনে পাড়ি জমাতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী। খবর বিবিসির।

এ নিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যের সেনাবাহিনী। সেখানে বলা হচ্ছে, অনুপস্থিত সেনা সদস্যরা ছুটি নেননি। তাঁরা নিজ প্রচেষ্টায় ইউক্রেনে গিয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতে তাঁদের যুক্তরাজ্যে ফিরে আসতে অনুরোধ জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র।

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম দ্য সানের একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর সেনাবাহিনীর বিবৃতিটি দেওয়া হলো। সানের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর কোল্ডস্ট্রিম গার্ডসের ১৯ বছর বয়সী এক সদস্য নিজ ব্যারাক ছেড়েছেন এবং ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশ পোল্যান্ডে পাড়ি জমাতে উড়োজাহাজের টিকিট কেটেছেন।

সানের খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেনি যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এর বিপরীতে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যেসব সেনা সদস্যরা ইউক্রেনে ভ্রমণ করবেন, তাঁরা এ সময় ছুটিতে থাকুন, আর নাই থাকুন, শাস্তির মুখে পড়বেন।

চলমান সংঘাতের মধ্যে ইউক্রেন ভ্রমণ নিয়ে সেনা সদস্যদের গত সপ্তাহেও সতর্ক করা হয়েছিল। যুক্তরাজ্য সরকারের ধারণা, এ থেকে রাশিয়ার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। ইউক্রেনে লড়াই করতে ব্রিটিশ সেনাদের পাঠানো হয়েছে বলে মনে করতে পারে মস্কো।

এর আগে যুদ্ধে যোগ দিতে ইউক্রেনে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর অনেক সাবেক সেনা সদস্য। দেশটিতে চিকিত্সা ও মানবিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেন তাঁরা। তবে এসব সেনাদের অনেকেই বিবিসিকে বলেন, তাঁরা আদৌ দেশটিতে যেতে পারবেন কি না তা নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে মিশ্র বার্তা পাচ্ছেন।

সেনাসদস্যদের এমন মন্তব্যের অবশ্য কারণও আছে। রাশিয়ার হামলা শুরুর পর যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রস বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধে সহায়তা করতে যুক্তরাজ্যের যেসব নাগরিক দেশটিতে যেতে চান, তাঁদের প্রতি সমর্থন রয়েছে তাঁর। এরপরই ইউক্রেনে ভ্রমণ না করার পরামর্শ আসে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা দপ্তর থেকে।