ইউরোপ-আমেরিকার তুলনায় বাংলাদেশে দ্রব্যমূল্য কম বেড়েছে


yousuf প্রকাশিত: ৪:৫৬ অপরাহ্ণ ৩ মার্চ , ২০২২
ইউরোপ-আমেরিকার তুলনায় বাংলাদেশে দ্রব্যমূল্য কম বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভারত, ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে যে হারে দ্রব্যমূল্য বেড়েছে সে তুলনায় বাংলাদেশে অনেক কম বেড়েছে বলে দাবি করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে আগে দাবি করা হতো, শ্রমিকের মজুরি হতে হবে সাড়ে তিন কেজি চালের মূল্যের সমান। এখন একজন শ্রমিক কমপক্ষে ১২ থেকে ১৫ কেজি চালের মূল্যের সমান মজুরি পান।

বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘চাঁদের হাট’ আয়োজিত এক পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পর গণমাধ্যমকে এ কথা জানান তিনি।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। আপনি যদি ভোগ্যপণ্যের দামের কথা চিন্তা করেন তাহলে ভারত, ইউরোপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। বাংলাদেশে সে তুলনায় অনেক কম বেড়েছে।

পৃথিবীতে দ্রব্যমূল্য সবসময়ই বেড়েছে, কখনো কমেনি- এমন দাবি করে তিনি আরও বলেন, যখন বাংলায় দুর্ভিক্ষ হয় তখন একআনা অর্থাৎ ১৬ পয়সায় কয়েক কেজি চাল পাওয়া যেত। কিন্তু বাংলায় দুর্ভিক্ষ হয়েছে। দেখতে হবে যে দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে কি না। গত ১২ বছরে মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে সাড়ে চারগুণ এবং নিম্নআয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে তিনগুণ। মধ্যম আয়ের মানুষেরও ক্রয়ক্ষমতা তার কাছাকাছি বেড়েছে।

বিএনপি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি বেশ কিছুদিন ধরে কর্মসূচি পালন করছে। খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর দাবিতে তারা সারাদেশে নির্বিঘ্নে কর্মসূচি করেছে। কিছু কিছু জায়গায় তারা নিজেরা মারামারি করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কথা বলে তারা যে কর্মসূচি দিয়েছে সেটাও তারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় পালন করেছে। তাদের কোনো জায়গায়ই কোনো অসুবিধা হয়নি। তারা শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করুক সেটিই আমরা চাই। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সংহত করতে এসবের প্রয়োজন আছে।

তবে আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, কিন্তু কোনো সমাবেশ করতে গিয়ে যদি বিশৃঙ্খলা করে যেগুলো বিএনপি সবসময় করে এসেছে, জনজীবনে বিপত্তি ঘটায় কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার পাঁয়তারা করে তখন তো পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে হয়। যখন তারা নিজেরা মারামারি করে সেটা ঠেকানোর জন্যও পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে হয়। আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তাদের অন্যান্য নেতা যারা কথা বলছেন তাদের অনুরোধ জানাবো সরকারের দিকে আঙুল না তুলে নিজেদের মারামারিটা আগে বন্ধ করেন।