ওয়ার্নের মৃত্যুতে বলিউডেও শোকের ছায়া


yousuf প্রকাশিত: ২:২৪ অপরাহ্ণ ৫ মার্চ , ২০২২
ওয়ার্নের মৃত্যুতে বলিউডেও শোকের ছায়া

বিনোদন ডেস্ক : ক্রিকেট ইতিহাসের কিংবদন্তি লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্নের মৃত্যু যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না তার ভক্ত-সমর্থকেরা। মৃত্যুশোকে আচ্ছন্ন গোটা ক্রিকেট দুনিয়া। শোকের ঢেউ আছড়ে পড়েছে বলিউড অঙ্গনেও।

ওয়ার্নের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বলিউড তারকারা। স্পিন জাদুকরের এই চিরপ্রস্থান বিশ্বাসই করতে পারছেন না অক্ষয় কুমার, রণবীর সিংসদের মতো তারকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের অভিব্যক্তিতেই শোকের সে বহিঃপ্রকাশ ঘটছে।

শুক্রবার (৪ মার্চ) থাইল্যান্ডের কোহ সামুইতে নিজের ভিলায় মাত্র ৫২ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ওয়ার্ন। ফক্স ক্রিকেট জানিয়েছে, হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওয়ার্নের ম্যানেজমেন্ট সংস্থা এক বিবৃতিতে জানায়, তাকে অচেতন অবস্থায় (কোহ সামুই অবকাশ এলাকার) ভিলায় পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের সর্বোচ্চ চেষ্টার পরও তাকে বাঁচানো যায়নি।

ওয়ার্নের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে অক্ষয় কুমার লিখেছেন, শেন ওয়ার্নের আকস্মিক প্রয়াণের খবর শুনে ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। ভীষণ হৃদয়বিদারক। ক্রিকেটকে ভালোবাসলে এ মানুষটিকে না ভালোবেসে থাকা যায় না।

আইপিএলের প্রথম আসরে রাজস্থান রয়্যালস টিমের অধিনায়ক ছিলেন শেন। সে সময়ে ওই দলের অন্যতম মালিকানা ছিল শিল্পার।

নিজের ইনস্টাগ্রামে শেন ওয়ার্নের সঙ্গে একটি ছবি আপলোড করে শিল্পা শেঠি লিখেছেন, কিংবদন্তিদের মৃত্যু হয় না।

ওয়ার্নের সাদা-কালো একটি ছবি পোস্ট করেছেন রণবীর সিং। একইসঙ্গে একটি কষ্টের ইমোজি জুড়ে দিয়ে শোক জানিয়েছেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার এ বিশ্বকাপজয়ী স্পিন শিল্পীর চলে যাওয়ায় ওয়ার্নের সঙ্গে নিজের একটি ছবি ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে পোস্ট করে শিবানী ডান্ডেকর লিখেছেন, এ খবর শুনে ভীষণভাবে ভেঙে পড়েছি। শুধুই একজন ক্রিকেটীয় কিংবদন্তি ছিলে না তুমি। তার থেকেও বেশি কিছু ছিলে। বড্ড ছোঁয়াচে ছিল তোমার অ্যানার্জি। মনে রেখে দেবো তোমার সব পাগলামো, হাসি-ঠাট্টা আর দারুণ ব্যবহার। বড্ড তাড়াতাড়ি চলে গেলে। শান্তিতে থেকো, বন্ধু।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে শেন ওয়ার্নের। ১৯৯২ সালে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টেস্ট অভিষেক হয় ওয়ার্নের। টেস্ট ক্রিকেটে ৭০৮ উইকেট তার নামের পাশে জ্বলজ্বল করছে। ১৫ বছরের ক্রিকেটজীবনে মোট ১৯৪টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ২৯৩ উইকেট।

১৯৯৩ সালে অ্যাশেজে ইংল্যান্ডের মাইক গ্যাটিংকে যে বলে বোল্ড করেছিলেন সেটা শতবর্ষের সেরা ডেলিভারি হিসেবে খ্যাত। ১৯৯৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন এ অজি স্পিনার। পাঁচবার অ্যাশেজ জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন স্পিন বোলিংকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া এ ঘূর্ণি জাদুকর।