কিশোর তাঁর গানের মাধ্যমেই বেঁচে থাকবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে

বিনোদন লিড

ইতিহাস ডেস্কঃ বাংলা গনের প্লেব্যাক সম্রাট বলা হয় সুরের জাদুকর প্রয়াত এন্ড্রু কিশোরকে। অসংখ্য গানে কণ্ঠ দেওয়া এই দাপুটে যুবরাজের আজ প্রথম প্রয়াণ দিবস। গত বছরের এই দিনে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি।

শুধু যে এলব্যাম বা চলচিত্রের গান তিনি করতেন তা নয়, দেশের সব থেকে প্রিয় ম্যাগাজিন অনুস্থান “ইত্যাদী’’তে নিয়মিত কণ্ঠ দিতেন তিনি। সেই সূত্রে অনুষ্ঠানের পরিচালক, উপস্থাপক হানিফ সংকেত এর সাথে ছিল তার বন্ধুত্বের খাতির। তার হাজার ব্যস্ততার মধ্যেও ভোলেননি প্রিয় বন্ধু কিশোরের প্রয়াণ দিবসের কথা।বন্ধুর আজ প্রথম মৃত্যু দিবসের স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার নিজের পেইজে দিয়েছেন হৃদয়বিদারক স্ট্যাটাস।

তিনি লিখেছেন, দেখতে দেখতে একটি বছর হয়ে গেলো কিশোর নেই। বিশ্বাস করতে মন চায় না, অথচ এটাই সত্যি। এন্ড্রু কিশোর-বাংলা গানের ঐশ্বর্য। যার খ্যাতির চাইতে কণ্ঠের দ্যুতি ছিলো বেশি। যার কাছে গানই ছিলো জীবন-মরণ, গানই ছিলো প্রাণ। এই গানের জন্যই কিশোর পেয়েছে প্লেব্যাক সম্রাটের উপাধি। গানের জন্যই মানুষ তাঁকে ভালোবাসতো। অবশেষে মরণব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ে পরাজিত হয়ে গত বছরের এই দিনে সবাইকে কাঁদিয়ে পৃথিবী ছেড়ে বিদায় নেয় সবার প্রিয় এন্ড্রু কিশোর।

কিশোর যেমন প্রাণ খুলে দরাজ গলায় গাইতে পারতো, তেমনি মানুষের সঙ্গেও প্রাণ খুলে মিশতে পারতো। সবসময় নিজের সুবিধার চাইতে অন্যের সুবিধার দিকেই দৃষ্টি ছিলো তাঁর বেশি। কিশোরের সঙ্গে আমার সম্পর্ক প্রায় ৪০ বছরের। এক সঙ্গে অনেক আড্ডা দিয়েছি, বহুবার বিদেশে গেছি, এক সঙ্গে থেকেছি। কিশোর ছিলো ইত্যাদি’র প্রায় নিয়মিত সংগীত শিল্পী। কিশোর নেই মনে হলেই ভেতরটা হাহাকার করে উঠে। এন্ড্রু কিশোর ছিলো একজন আদর্শ শিল্পী, একজন মানবিক মানুষ। যার তুলনা সে নিজেই।

কিশোর তাঁর গানের মাধ্যমেই বেঁচে থাকবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। বন্ধু যেখানে থাকো ভালো থেকো। শান্তিতে থেকো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *