কিয়েভে শক্তিশালী প্রতিরোধের মুখে রুশ সেনারা


rupali প্রকাশিত: ১২:২৭ অপরাহ্ণ ২৬ ফেব্রুয়ারি , ২০২২
কিয়েভে শক্তিশালী প্রতিরোধের মুখে রুশ সেনারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। তবে সেখানে ইউক্রেনের সেনাদের শক্তিশালী প্রতিরোধের মুখে পড়েছে রুশ সেনারা। এদিকে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী বলছে, তারা বেশ কয়েকটি হামলার বিরুদ্ধে লড়াই করছে। খবর বিবিসির।

সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, একটি প্রধান শহরে তাদের ঘাঁটির কাছে রাশিয়ান বাহিনীকে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে একটি সেনা ইউনিট। এর আগেই রাশিয়ার কিয়েভ দখলের চেষ্টার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি। শহরের স্থানীয় প্রশাসনও নিশ্চিত করেছে যে, রাজপথে লড়াই চলছে। তারা লোকজনকে বাড়িতে অবস্থানের নির্দেশ দিয়েছে।

কিয়েভভিত্তিক বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স-ইউক্রেনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কর্তৃপক্ষ লোকজনকে নিরাপদে আশ্রয় নিতে বলেছে। এছাড়া যারা ঘরে অবস্থান করছেন তাদের দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা পরিষদের সেক্রেটারি ওলেকসি ড্যানিলভ ইউক্রেনের একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন,
পরিস্থিতি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ড্যানিলভ বলেন, আমরা সব ধরনের উপায় ব্যবহার করে রুশ সেনাদের প্রতিহত করছি। এখনও সেনা সদস্য এবং নাগরিকদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে কিয়েভ। ইউক্রেনের বিমান বাহিনীর কমান্ডও শনিবার সকালে কিয়েভের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ভেসিলকিভ বিমানঘাঁটির কাছে শক্তিশালীয় লড়াইয়ের বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন। রাশিয়ান প্যারাট্রুপাররা আক্রমণ করেছে বলেও জানানো হয়।

রাশিয়ার একটি বিমান তাদের যোদ্ধারা গুলি করে ভূপাতিত করেছে বলেও দাবি করা হয়। এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছিলেন, শুক্রবার রাতে কিয়েভ দখলের চেষ্টা চালাতে পারে রাশিয়া। তিনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেছিলেন।

ইউক্রেনের এই প্রেসিডেন্ট বলেন, আজ রাতে (শুক্রবার) শত্রুরা আমাদের প্রতিরোধ ভাঙার সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাবে। আজ রাতে তারা হামলা চালাবে। সে কারণে আমাদের অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। ইউক্রেনের ভাগ্য এখনই নির্ধারিত হবে… আমাদের মূল লক্ষ্য এই রক্তপাত বন্ধ করা।

এর আগে শুক্রবার জেলেনস্কির এক মুখপাত্র জানান, তার দেশ অবিলম্বে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি আলোচনার জন্য প্রস্তুত এবং দুপক্ষের মধ্যে আলোচনার স্থান ও সময় নিয়ে আলোচনা চলছে।

রুশ সৈন্যরা কিয়েভের কাছাকাছি আসার সঙ্গে সঙ্গেই সতর্ক হয়েছে ইউক্রেন। এই আক্রমণের জন্য মস্কোর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিতে দ্রুত ও কঠোর নিষেধাজ্ঞার আরোপে পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে অনুরোধ করেছে ইউক্রেন। মস্কোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপে ইউরোপের প্রতি আহ্বান জানান জেলেনস্কি।