নগরীতে বেড়েছে মশার উপদ্রব, নেই নিধন কার্যক্রম


sujon প্রকাশিত: ৭:৫২ অপরাহ্ণ ৯ মার্চ , ২০২২
নগরীতে বেড়েছে মশার উপদ্রব, নেই নিধন কার্যক্রম

আব্দুর রব: ঢাকা নগরীতে দিন দিন বাড়ছে মশার উপদ্রব। বছরব্যাপী মশার উপদ্রবের বিষয়টি বহুল আলোচিত। জনমনে এডিস মশার আতঙ্ক কাজ করলেও এখন যে কোনো মশার বৃদ্ধিতেই আতঙ্ক বেড়ে যায়।

উপদ্রব বাড়লেও মশা নিধন কার্যক্রম চোখে পড়ছে না বলে জানান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ মতে, আগের বছর এই সময়ে সিটি করপোরেশনের লোকজন নালা-নর্দমা ও ভবনের আশপাশে ওষুধ ছিটিয়ে যেতেন। কিন্তু এ বছর এখনো তাঁদের দেখা যায়নি। ঘরে কয়েল জ্বালিয়ে ও মশা মারার ওষুধ স্প্রে করেও মশার উৎপাত থেকে রেহাই পাওয়া যাচ্ছে না। আবার মাঝে মাঝে যে মশক নিধন স্প্রে করা হয় তাও কার্যকর নয়।  একই সঙ্গে তাঁদের মনে ডেঙ্গু আতঙ্ক বিরাজ করছে। যেসব মশার কামড়ে নগরবাসী অতিষ্ঠ তার মধ্যে বেশির ভাগই কিউলেক্স মশা। এ সময়ে কিউলেক্সসহ অন্যান্য মশার আক্রমণে ফাইলেরিয়াসিসসহ চিকুনগুনিয়া রোগেরও ঝুঁকি রয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন নগরবাসী।

গবেষকরা বলছে, শীতের পরে তাপমাত্রা বাড়ে, মশার জীবচক্রের গতিশীলতা বেড়ে যায়। এই সময়ে মশা ডিম বেশি পাড়ে। তবে গত বছরের তুলনায় এবার মশার প্রকোপ অনেক বেশি। আগামী মাসে মাশার পরিমান আরও চারগুণ বাড়তে পারে। সিটি করপোরেশন বর্তমানে যেভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছে তাতে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না। দ্রুত আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে মশার ঘনত্ব বেড়ে চরমে পৌঁছাবে। এমনকি অতিতের সেই চিকনগুনিয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। কিংবা আরও ভয়াবহ হতে পারে। এখন সরকারের উচিত যেকোনো উপায়ে আগে মশা নিয়ন্ত্রণ করা।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সেলিম রেজা জানান, আমদের মশা নিধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আমরা আগামীকাল বৃস্পতিবার (১০ মার্চ) থেকে উত্তর সিটি করপোরেশন সাতদিনের বিশেষ মশা নিধন কার্যক্রম শুরু করবে। সিটি করপোরেশন থেকে সাধারণত দুইদিন পর পর প্রতিটি মহল্লা স্প্রে করে। আশা করছি এ বছর আমরা মশা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হব।