বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ৬ জুলাইয়ের মধ্যে


resma প্রকাশিত: ৬:৫৮ অপরাহ্ণ ১৮ জুন , ২০২২
বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ৬ জুলাইয়ের মধ্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মূল ভর্তি পরীক্ষা বুয়েট ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভর্তির জন্য নির্বাচিত ও অপেক্ষমান প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশের সর্বশেষ তারিখ ৬ জুলাই।

শনিবার (১৮ জুন) ভর্তি পরীক্ষা সকাল ও বিকেল দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রকৌশল বিভাগ সমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য ‘মডিউল-এ’ সকাল ১০টা-১২টা ও প্রকৌশল বিভাগসমূহ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং স্থাপত্য বিভাগের জন্য ‘মডিউল-বি’ দুই শিফটে বেলা ২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

সকালে ‘মডিউল-এ’ এর উপস্থিতির হার ছিল ৯৯.৭৫ ভাগ এবং বিকেলে ‘মডিউল-বি’ এর উপস্থিতির হার ছিল প্রায় ৯১.৮৯ ভাগ।

কোভিড-১৯ সংক্রান্ত বৈশ্বিক মহামারির কারণে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রাক-নির্বাচনী ও মূল ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ১৭ হাজার ৩৪ শিক্ষার্থী প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফলের মেধাক্রম অনুসারে প্রতি শিফটের প্রথম থেকে ৩০০০তম পর্যন্ত দুই শিফটে (মডিউল-এ এবং মডিউল-বি) মোট ৬ হাজার ৮৮ শিক্ষার্থী মূল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে ছেলে শিক্ষার্থী ৪ হাজার ৬৩২ জন এবং মেয়ে শিক্ষার্থী ১ হাজার ৪৫৬ জন।

মূল ভর্তি পরীক্ষা লিখিত আকারে দুই শিফটে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম শিফটের পরীক্ষা হয় সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত। এই শিফটে মডিউল-এ ‘ক’ ও ‘খ’ গ্রুপের জন্য গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ে লিখিত পরীক্ষা হয়। আর দ্বিতীয় শিফটে বেলা ২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। এই শিফটে মডিউল-বি ‘খ’ গ্রুপের জন্য মুক্তহস্ত অঙ্কন এবং দৃষ্টিগত ও স্থানিক ধীশক্তি বিষয়ে পরীক্ষা হয়।

প্রকৌশল, পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদ সমূহের অধীনে ১২টি বিভাগে স্নাতক শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে। এবারের ভর্তি পরীক্ষায় পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য এলাকার ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীভুক্ত প্রার্থীদের জন্য প্রকৌশল বিভাগ সমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য মোট ৩টি ও স্থাপত্য বিভাগে ১টি সংরক্ষিত আসনসহ সর্বমোট ১ হাজার ২৭৯টি আসনের বিপরীতে প্রার্থী সংখ্যা ১৭ হাজার ৩৪ জন।