শৈশবের স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরেই বেঁচে থাকুক প্রতিটি মানুষের আত্মা


sujon প্রকাশিত: ১১:৪২ অপরাহ্ণ ২৫ ফেব্রুয়ারি , ২০২২
শৈশবের স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরেই বেঁচে থাকুক প্রতিটি মানুষের আত্মা

রাজেদুল ইসলাম, (জীবননগর) চুয়াডাঙ্গা : শৈশবের স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরেই বেঁচে থাকে প্রতিটি মানুষের আত্মা। শৈশবের স্মৃতির কাছে সে একজন খোকা। কোরমা-পোলাও খাওয়ার বাস্তবিক জীবনের থেকে শৈশবের কলার পাতায় পান্তা ভাত আর কাঁচা মরিচের স্বাদ মধুর থেকেও মধুরতর হয়ে থাকে। নব্বই দশকের একটা সোনালী স্মৃতি পাড়ার ক্রিকেট। যা ক্রমশ চাপা পড়ে যাচ্ছে অত্যাধুনিকতার আড়ালে। মোবাইল গেমের প্রতি আসক্তি,মাদকাসক্তি বা ফোনের প্রতি আসক্তির কারণে এই প্রজন্মের মধ্য থেকে হারিয়ে যাচ্ছে এটা। আসরের আজান থেকে শুরু আর মাগরিবের আজান হলেই শেষ হয়ে যেত।কত সব নিয়মের উৎপত্তি নিজেদের সুবিধার্থে। একটু মারামারি, জয় পরাজয় এর আনন্দ শেষে সবাই আবার মিলিত হয়ে যেত। একটা মধুর অতীত।গ্রাম অঞ্চলে পরিত্যক্ত জমিন,পুকুর,বাগানে বসত এসব ক্রিকেটে আসর।

রবারের বল বা একটা ব্যাট কিনতে সবাই টাকা তুলবে। তারপর যখন তা কেনা হবে সবাই আনন্দিত। যা বর্তমান প্রজন্মের কাছে আশাতীত একটা ব্যাপার। বিকালে খেলা সন্ধ্যায় আজান হইলে শেষ। তারপর যার যার বাড়ি কাধে কাধ রেখে ছুটে যাওয়া। কিন্তু পুরা ব্যাতিক্রম চিত্র চোখে আটকে যাই আজকাল। সবাই ফোনের স্ক্রিনে নিজেদের বন্দি করে ফেলেছে। অত্যাধুনিক গেমের প্রতি আসক্তির ফলে আজকাল আর কিশোরদের মাঝে দেখা যাই না এই খেলার প্রচলন। এখনো আছে হয়তো কোথাও কোথাও কিন্তু তা খুবই সীমিত। একটা মাদকমুক্ত সমাজ ও কিশোরদের শারিরীক সুস্থতা নিশ্চিতে এই খেলাগুলো প্রচলনের প্রয়োজনীয়তা অসীম।