হজ পালনকালে ডায়াবেটিস রোগীর যত্ন


sraboni প্রকাশিত: ৮:১৫ অপরাহ্ণ ৪ আগস্ট , ২০২২
হজ পালনকালে ডায়াবেটিস রোগীর যত্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক ডায়াবেটিস রোগী পবিত্র হজ পালন করেন। এ সময় মানুষের ভিড়, বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা পালনে কায়িক পরিশ্রম ও পরিবেশগত কারণে হজ পালনকালে নানান রকম স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর অন্যতম হলো ডায়াবেটিসের জটিলতা।

যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, অন্যদের তুলনায় তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কিছুটা বেশি। এর সঙ্গে হৃদরোগ, উচ্চরক্তচাপ, কিডনির জটিলতা, স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা, হাঁপানিসহ অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি রোগ থাকলে তা ঝুঁকি আরও বাড়ায়। তাই হজযাত্রার আগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

যা করতে হবে

হজে যাওয়ার কমপক্ষে ১০ দিন আগে মেনিনজাইটিস টিকা ও ফ্লু ভ্যাকসিন নিতে হবে।ডায়াবেটিস রোগীদের যথেষ্ট পরিমাণ ইনসুলিন বা ওষুধ, নির্দেশিত ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, হাঁপানি বা অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি রোগের ওষুধ নিতে হবে।কোনো অবস্থায়ই ইনসুলিন বা প্রয়োজনীয় ওষুধ বাদ দেওয়া যাবে না।হজে অনেক হাঁটাহাঁটি করতে হয় বলে ডায়াবেটিসের রোগীদের পায়ের যত্ন নেওয়া জরুরি।কিছু পরামর্শ

ইনস্যুলিন ব্যবহারকারীরা চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে সহজে বহনযোগ্য ইনসুলিন পেন-ডিভাইস নিতে পারেন। ইনসুলিন বহনের জন্য জেল বক্স বা ছোট ফ্লাস্ক পাওয়া যায়। এটা নিতে পারেন।খেজুর, হালকা স্ন্যাক্সজাতীয় খাবার ও পানিস্বল্পতা এড়াতে পর্যাপ্ত পানি রাখুন। ঠিক সময়ে খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।

চশমা ব্যবহার করলে অবশ্যই প্লাস্টিকের তৈরি অতিরিক্ত এক জোড়া চশমা সঙ্গে নেবেন।হজে যাওয়ার আগে চোখ ও দাঁতের পরীক্ষা করাবেন।শতকরা ৩১ ভাগ ডায়াবেটিস রোগীর হজের সময় পায়ে ফোসকা পড়ে। দীর্ঘপথ হাঁটার কারণে অনেক সময় ফোসকা পড়তে পারে ও ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে।হজেরসময়পায়েব্যথাহওয়াএকটিনিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। বিশেষত স্থূলকায় নারীদের এটি বেশি হয়ে থাকে। ফোসকা থেকে হতে পারে প্রদাহ। পা ফুলে গেলে, ক্ষত হলে, কিংবা ফোসকা পড়লে অবশ্যই বাংলাদেশ ক্যাম্পে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।