১৮ জনের নামে জনতার আদালতে, কাদের মির্জার জিডি


meherin প্রকাশিত: ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ ৩ মার্চ , ২০২২
১৮ জনের নামে জনতার আদালতে, কাদের মির্জার জিডি

ইতিহাস ডেস্ক : নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ১৮ জনের বিরুদ্ধে ‘জনতার আদালতে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ফেসবুক পোস্টে এ কথা লিখে তিনি ওই ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, তাঁকে হত্যা ও নেতাকর্মীশূন্য করার ষড়যন্ত্র করছেন তাঁরা।

তালিকায় যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রী ইসরাতুন্নেসা কাদের (কাদের মির্জার ভাবি), ফেনী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী, নোয়াখালী-৪ (সদর ও সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী এবং নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলামের নাম রয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে আবদুল কাদের মির্জা তাঁর ফেসবুক পেজে এই পোস্ট করেন।সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, আমাকে হত্যা ও নেতাকর্মীশূন্য করার জন্য যাঁরা নীলনকশা করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে জনতার আদালতে জিডি করলাম।

এ ছাড়া অন্য যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁরা হলেন ফখরুল ইসলাম ওরফে রাহাত (ভাগ্নে), খিজির হায়াত (উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি), মিজানুর রহমান ওরফে বাদল (উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক), আজম পাশা ওরফে রুমেল (উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান), সিরাজিস সালেকিন ওরফে রিমন (ভাগ্নে ও রামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান), হানিফ সবুজ (চর কাঁকড়ার চেয়ারম্যান), নজরুল ইসলাম ওরফে শাহিন (মুছাপুরের সাবেক চেয়ারম্যান), কানা আবদুর রেজ্জাক (চর এলাহীর চেয়ারম্যান), জাহেদুল হক ওরফে কচি (চর ফকিরার চেয়ারম্যান), আজ্জুমান পারভীন (উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান), শহীদুল হক (এসপি, নোয়াখালী), জিয়াউল হক মীর (ইউএনও, কোম্পানীগঞ্জ), সাজ্জাদ রোমন (ওসি, কোম্পানীগঞ্জ), দিদারুল কবির ওরফে রতন ও জাহাঙ্গীর (মন্ত্রীর সহকারী)।

কাদের মির্জা তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘বিচারপতির কাছে বিচার চেয়েছি, বিচার পাইনি। তাই বিচারপতির বিচার করে যে জনতা বিচার দিলাম সেই জনতার কাছে। যে জনগণ আমার প্রাণশক্তি সেই জনগণ আমাকে প্রেরণা জোগাবে। সত্যের যে প্রদ্বীপ শিখা জ্বালিয়েছি রাজভয় লোকভয় তা কখনো নেভাতে পারবে না। মহান আল্লাহ আমার সহায় হোক। দোয়া করবেন সকলে।

এ ব্যাপারে সেতুমন্ত্রীর ভাগ্নে রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সিরাজিস সালেকিন রিমন বলেন, ‘কাদের মির্জার এ ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন; বরং কোম্পানীগঞ্জের গত এক বছর অস্থিতিশীল পরিস্থিতির নৈপথ্যের মূল নায়ক তিনি। প্রশাসনের কর্মকর্তারা যখন ওনার অন্যায় আবদার ও পেশিবাদী মানসিকতাকে সাপোর্ট দিচ্ছে না, তখনই এসপি, ইউএনও, ওসির বিরুদ্ধে তিনি বিষোদগার করছেন। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিষোদগারই এখন তাঁর মূল হাতিয়ার।